একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য যেভাবে অনলাইনে এবং SMS -এর মাধ্যমে আবেদন করবেন

Last updated: 21st May 2019, no comments, Written by Editor

একাদশ শ্রেণিতে অনলাইন ও এসএমএস-এ ভর্তি কার্যক্রম শুরু

২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রনালয় ও শিক্ষাবোর্ড কর্তৃক সূত্র জানায়, এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রম ১২ মে থেকে শুরু হয়ে ২৩ মে পর্যন্ত। যারা পুনঃনিরীক্ষণের জন্য আবেদন করবে তাদেরও এই সময়ের মধ্যে আবেদন করতে হবে। তবে পুনঃনিরীক্ষণের পর যাদের ফলাফল পরিবর্তন হবে তারা ৩ থেকে ৪ জুনের মধ্যে আবেদন করতে পারবে।

আবেদন প্রক্রিয়া শেষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য প্রথম পর্যায়ে আবেদনকারীদের ফল প্রকাশ করা হবে ১০ জুন। ১১ থেকে ১৮ জুনের মধ্যে শিক্ষার্থীদের মনোনয়নপ্রাপ্ত কলেজে নিশ্চায়ন করতে হবে। অন্যথায় আবেদন বাতিল হবে। দ্বিতীয় পর্যায়ে আবেদন করা যাবে ১৯ ও ২০ জুন। ২১ জুনই এদের আবেদনের ফল প্রকাশ করা হবে। তৃতীয় ধাপে আবেদন নেয়া হবে ২৪ জুন। ফল প্রকাশ করা হবে ২৫ জুন। ২৭ থেকে ৩০ জুন শিক্ষার্থীদের নির্বাচিত কলেজে ভর্তি হতে হবে। এসএমএস ও স্ব-স্ব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নোটিশ বোর্ডে ভর্তি ফলাফল তালিকা প্রকাশ করা হবে। ১ জুলাই শুরু হবে ক্লাস।

ভর্তির জন্য অনলাইন এবং এসএমএস-এর মাধ্যমে আবেদন করা যাচ্ছে। অনলাইনে সর্বনিম্ন পাঁচটি এবং সর্বোচ্চ ১০টি আবেদন করা যাবে। এজন্য নেয়া হবে ১৫০ টাকা। মোবাইল ফোনে প্রতি এসএমএসে একটি করে কলেজে আবেদন করা যাবে। এক্ষেত্রে দিতে হবে ১২০ টাকা। কলেজ পছন্দের ঝামেলা দূর করতে এবার প্রথম ধাপের আবেদনের ফল প্রকাশ না করা পর্যন্ত আবেদন তালিকায় কলেজের পছন্দক্রম বদল করতে পারবে।

শিক্ষামন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, এবার ভর্তির সব আসনেই মেধার ভিত্তিতে পূরণ করা হবে। তবে বিভিন্ন কোটার মধ্যে আছে- মুক্তিযোদ্ধা-রাজধানীতে ৫ শতাংশ, বিভাগীয় ও জেলা সদরে ৩ শতাংশ। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধঃস্তন সব দফতরে ২ শতাংশ, বিকেএসপিতে ০.৫ এবং প্রবাসী ০.৫ শতাংশ করা হবে। যদি এসব কোটায় উপযুক্ত প্রার্থী না পাওয়া যায় তবে এ আসনে অন্য কাউকে ভর্তি করা যাবে না।

অনলাইনে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য আবেদন প্রক্রিয়া

অনলাইনে ভর্তির জন্য করার ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীকে প্রথমেই তার এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষার রোল নম্বর, বোর্ড, পাসের সাল ব্যবহার করে এসএমএস করে টেলিটক/রকেট/শিওরক্যাশ এর মাধ্যমে ১৫০ টাকা ফি জমা দিতে হবে। নির্ধারিত আবেদন ফি জমা দেওয়ার পর আবেদনকারীকে নির্ধারিত ওয়েবসাইটে (www.xiclassadmission.gov.bd) গিয়ে অনলাইনে আবেদন করতে হবে।

ভর্তির ফি জমা দেওয়ার জন্য মোবাইলের Message (Option)-এ গিয়ে নিম্নলিখিত নিয়মে আবেদন ফি প্রদান করতে হবেঃ

টেলিটক সিম থেকে মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে CAD স্পেস WEB স্পেস পরীক্ষা পাসের Board এর নামের প্রথম তিন অক্ষর স্পেস পরীক্ষার রোল স্পেস পরীক্ষা পাসের বর্ষ লিখে ১৬২২২ নম্বরে সেন্ড করতে হবে।

টেলিটকের মাধ্যমে ফি প্রদান পদ্ধতিঃ

  1. টেলিটক সিম থেকে মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে CAD লিখে স্পেস দিন।
  2. তারপর WEB লিখে আবার স্পেস দিন।
  3. এবার আপনার এসএসসি/সমমান পরীক্ষা পাসের বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর লিখে আবার স্পেস দিন। [যেমন: DHA = হচ্ছে ঢাকা বোর্ডের জন্য] (All Education Boards First 3 letter has been given Below)
  4. এরপর আপনার এসএসসি/সমমান পরীক্ষার পাসের রোল নম্বর দিয়ে স্পেস দিন।
  5. এখন আপনার এসএসসি/সমমান পরীক্ষা পাসের সন দিয়ে স্পেস দিন।
  6. সর্বশেষ আপনার দেওয়া সকল তথ্যগুলো সর্তকতার সাথে ভালো করে যাচাই করুন। এবং 16222 নম্বরে পাঠিয়ে দিন।
Example:
CAD WEB DHA 123456 2019 and Send to 16222

ব্যাখ্যাঃ এখানে DHA -এসএসসি/সমমান পরীক্ষা পাসের বোর্ডের (Dhaka) নামের প্রথম তিন অক্ষর/কোড, 123456 – আবেদকারীর এসএসসি/সমমান পরীক্ষার পাসের রোল নম্বর এবং 2019 এসএসসি/সমমান পরীক্ষা পাসের সন ।

ফিরতি এসএমএস এ আবেদনকারীর নাম ও আবেদন ফি বাবদ ১৫০ কেটে নেওয়া হবে তা জানিয়ে একটি পিন কোড দেওয়া হবে। ফি দিতে সম্মত থাকলে ম্যাসেজ অপশনে গিয়ে CAD স্পেস YES স্পেস PIN স্পেস Contact Number (বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে পুনঃনিবন্ধিত মোবাইল নম্বর) লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে।

Example:
CAD YES 1234567 015******** and Send to 16222

ব্যাখ্যাঃ এখানে 1234567 – PIN এবং 015******** পুর্বে প্রদত্ত ১১ ডিজিটের Contact number ।

একটি মোবাইল নম্বর শুধুমাত্র একজন আবেদনকারী প্রার্থীর জন্য ব্যবহার করা যাবে। ফি সঠিকভাবে জমা হলে Contact Number টিতে অবশ্যই ফি নিশ্চিতকরণের একটি Transaction ID সহ SMS যাবে।

যেভাবে অললাইনে ভর্তির জন্য আবেদন করবেন

  1. টেলিটক/বিকাশ/শিওরক্যাশ/গ্রামীণফোন এর মাধ্যমে নির্ধারিত আবেদন ফি ১৫০ টাকা জমা দেওয়ার পর আবেদনকারীকে নির্ধারিত website- এ (www.xiclassadmission.gov.bd) গিয়ে Apply Online -এ Click করতে হবে।
  2. HSC Admission Circular

    এরপর প্রদর্শিত তথ্য ছকে এসএসসি/সমমান পরীক্ষা পাসের রোল নম্বর, বোর্ড ও পাসের সন এবং রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে সঠিকভাবে এন্ট্রি করতে হবে। আবেদনকারীর দেয়া তথ্য সঠিক হলে তিনি তার ব্যক্তিগত তথ্য ও এসএসসি/সমমান পরীক্ষায় প্রাপ্ত GPA দেখতে পাবেন।

    HSC Admission Circular

  3. এরপর শিক্ষার্থীর Contact Number (ফি প্রদানের সময় প্রদত্ত মোবাইল নম্বর) এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে কোটা দিতে হবে।
  4. অতঃপর তাঁকে ভর্তিচ্ছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, গ্রুপ, শিফট এবং ভার্সন Select করতে হবে। এভাবে শিক্ষার্থী সর্বোচ্চ ১০টি (ইন্টারনেট এবং SMS উভয় পদ্ধতি মিলে) সর্বমোট কলেজ/মাদরাসা Select করতে পারবে। এই ফরমে আবেদনকারী তাঁর সকল আবেদনের পছন্দক্রমও নির্ধারণ করতে পারবে।
  5. এরপর আবেদনকারী “Preview Application” Button-এ ক্লিক করলে তার আবেদনকৃত কলেজসমূহের তথ্য ও পছন্দক্রম দেখতে পারবেন। তবে এসএমএস ৫টির বেশী করতে পারবে না।
  6. Preview-এ দেখানো তথ্যসমূহ সঠিক থাকলে আবেদনকারী “Submit” Button-এ ক্লিক করবেন।
  7. আবেদনটি সফলভাবে Submit করা হলে আবেদনকারী তাঁর প্রদত্ত Contact Number-এর মোবাইলে একটি নিশ্চিতকরণ SMS পাবেন এবং যাতে একটি সিকিউরিটি কোড (Security Code) থাকবে। এই Security Code টি গোপনীয়তা ও সতর্কতার সাথে সংরক্ষণ করতে হবে, যা পরবর্তীতে আবেদন সংশোধন ও ভর্তি সংক্রান্ত কাজে ব্যবহার করতে হবে।
  8. আবেদনকারী চাইলে তাঁর আবেদনসমূহের তথ্যাদিসহ উক্ত ফরমটি Download করে প্রিন্ট (Print) নিতে পারবেন।

উপরের নির্দেশনা অনুযায়ী এসএসসি/সমমান পরীক্ষার রোল নম্বর, বোর্ড, পাসের সন ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর সঠিকভাবে এন্ট্রি দেয়ার পরও শিক্ষার্থীর ব্যক্তিগত তথ্য ও এসএসসি পরীক্ষার GPA দেখতে না পেলে, তাঁকে আবেদন ফি ১৫০/- (একশত পঞ্চাশ টাকা) জমা দেয়ার Transaction ID টি এন্ট্রি দিতে হবে এবং ফি প্রদানের জন্য তিনি যেই অপারেটর (অর্থাৎ টেলিটক/বিকাশ/শিওরক্যাশ/গ্রামীণফোন) ব্যবহার করেছে তাকে Select করতে হবে। পরবর্তীতে ৩০ মিনিট পর ইন্টারনেটে আবেদন করার জন্য পূর্বে উল্লেখিত পদ্ধতিতে অনুসরণ করতে হবে।

যেভাবে SMS -এর মাধ্যমে ভর্তির আবেদন করবেন

SMS এর মাধ্যমে আবেদন শুধুমাত্র টেলিটক প্রি-পেইড সংযোগ থেকে সর্বোচ্চ ১০টি কলেজে আবেদন করা যাবে। আবেদনের জন্য মোবাইল এর মেসেজ অপশনে (Message Option) গিয়ে এভাবে টাইপ করতে হবে-

কোটা প্রযোজ্য না হলে :

CAD <space> ভর্তিচ্ছু কলেজ/মাদরাসার EIIN <space> ভর্তিচ্ছু গ্রুপের নামের প্রথম দুই অক্ষর <space> এসএসসি/সমমান পরীক্ষা পাসের বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর <space> এসএসসি/সমমান পরীক্ষা পাসের রোল নম্বর <space> এসএসসি/সমমান পরীক্ষা পাসের সন <space> এসএসসি/সমমান পরীক্ষা পাসের রেজিস্ট্রেশন নম্বর <space> ভর্তিচ্ছু শিফটের এক অক্ষরের Code (শিফট না থাকলে N দিতে হবে) <space> ভর্তিচ্ছু ভার্সনের এক অক্ষরের Code লিখে 16222 নম্বরে send করতে হবে।

Example:
CAD 123456 SC DHA 654321 2019 9874563210 M B and Send to 16222

কোটা প্রযোজ্য হলে :

CAD <space> ভর্তিচ্ছু কলেজ/মাদরাসার EIIN <space> ভর্তিচ্ছু গ্রুপের নামের প্রথম দুই অক্ষর <space> এসএসসি/সমমান পরীক্ষা পাসের বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর <space> এসএসসি/সমমান পরীক্ষা পাসের রোল নম্বর <space> এসএসসি/সমমান পরীক্ষা পাসের সন <space> এসএসসি/সমমান পরীক্ষা পাসের রেজিস্ট্রেশন নম্বর <space> ভর্তিচ্ছু শিফটের এক অক্ষরের Code (শিফট না থাকলে N দিতে হবে) <space> ভর্তিচ্ছু ভার্সনের এক অক্ষরের Code <space> কোটার জন্য দুই অক্ষরের Code লিখে 16222 নম্বরে send করতে হবে।

Example:
CAD 123456 SC DHA 654321 2019 9874563210 M B FQ and Send to 16222

ব্যাখ্যাঃ এখানে 123456 = ভর্তিচ্ছু কলেজ/সমমান প্রতিষ্ঠানের EIIN, SC = ভর্তিচ্ছু গ্রুপের নামের প্রথম দুই অক্ষর (Science – SC), DHA = এসএসসি/সমমান পরীক্ষা পাসের বোর্ডের (Dhaka) নামের প্রথম তিন অক্ষর, 654321 = আবেদনকারীর এসএসসি/সমমান পরীক্ষা পাসের রোল নম্বর, 2019 = এসএসসি/সমমান পরীক্ষা পাসের সন, 9874563210 = আবেদনকারীর এসএসসি/সমমান পরীক্ষা পাসের রেজিস্ট্রেশন নম্বর, M = Morning শিফটের নামের প্রথম অক্ষর, B = Bangla ভার্সনের প্রথম অক্ষর, FQ- মুক্তিযোদ্ধা কোটার কোড।

উপরে বর্ণিত SMS টি সফলভাবে সম্পন্ন হলে – আবেদনকারীর নাম, কলেজ/মাদরাসার EIIN ও নাম এবং শিফটসহ ফিরতি SMS এ ফি বাবদ ১২০/- (একশত বিশ টাকা মাত্র) কেটে নেয়া হবে তা জানিয়ে একটি PIN প্রদান করা হবে। এতে সম্মত থাকলে (Message) অপশনে গিয়ে লিখতে হবে-

CAD <space> YES <space> PIN <space> Contact number (শিক্ষার্থীর/অভিভাবকের ব্যবহৃত বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে নিবন্ধিতকৃত যে কোন মোবাইল নম্বর) লিখে 16222 নম্বরে পাঠাতে হবে।

Important Code for SMS

বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর/কোড:

Dhaka Board এর জন্য = DHA, Comilla Board এর জন্য = COM, Rajshahi Board এর জন্য =¨ RAJ, Jessore Board এর জন্য = JES, Chittagong Board এর জন্য =¨ CHI, Barishal Board এর জন্য = BAR, Sylhet Board এর জন্য = SYL, Dinajpur Board এর জন্য = DIN, Mymensingh Board এর জন্য = MYM, Madrasha Board এর জন্য = MAD, Bangladesh Open University এর জন্য = BOU|

ভর্তিচ্ছুক গ্রুপের Code :

  1. সাধারণ শিক্ষা বোর্ড : Science এর জন্য = SC, Humanities এর জন্য = HU, Business Studies এর জন্য = BS, Home Science এর জন্য = HS, Islamic Studies এর জন্য = IS এবং Music এর জন্য = MC লিখতে হবে।
  2. মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড : Science এর জন্য SC, General এর জন্য GE, Muzabbid এর জন্য MU লিখতে হবে।

ভর্তিচ্ছুক শিফটের Code :

Morning এর জন্য M, Day এর জন্য D, Evening এর জন্য E এবং ভর্তিচ্ছু কলেজের যদি কোন শিফট না থাকে সে ক্ষেত্রে N লিখতে হবে।

ভর্তিচ্ছুক ভার্সনের Code :

Bangla ভার্সনের জন্য B, এবং English ভার্সনের জন্য E লিখতে হবে।

কোটার Code :

মুক্তিযোদ্ধা কোটার জন্য FQ এবং শিক্ষা মন্ত্রনালয়, শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের অধিনস্ত দপ্তরসমুহ, স্ব স্ব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক কর্মচারী এবং প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডির সদস্যদের সন্তানদের কোটার জন্য EQ এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ঘোষিত বিশেষ কোটার জন্য SQ লিখতে হবে। কোন শিক্ষার্থী একাধিক কোটার আবেদন করার যোগ্যতা থাকলে কমা (,) দিয়ে একাধিক কোটা উল্লেখ করতে হবে। প্রবাসী কোটার ক্ষেত্রে PQ লিখতে হবে। কোন ধরনের কোটা না থাকলে কোটার জায়গায় কিছু লিখতে হবেনা। উল্লেখ্য যে, বিকেএসপি, বিভাগীয় ও জেলা কোটার ক্ষেত্রে শিক্ষার্থী স্বয়ংক্রীইয়ভাবে বিবেচিত হবেন এবং এ জন্য শিক্ষার্থীকে কোন ইনপুট দিতে হবে না। ফি সঠিকভাবে জমা হলে ১ম সফল SMS এ ফি নিশ্চিতকরণের একটি Transaction ID সহ SMS যাবে।

আবেদনকারীর ১ম সফল SMS আবেদনের পর ইন্টারনেট আবেদন পোর্টালে পছন্দক্রম পরিবর্তনে সুযোগের জন্য একটি Security Code পাবেন। এই Security Code টি গোপনীয়তা ও সতর্কতার সাথে সংরক্ষণ করতে হবে, যা পরবর্তীতে আবেদন সংশোধন ও ভর্তি সংক্রান্ত কাজে ব্যবহার করতে হবে।

২০১৯-২০২০ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি নির্দেশিকা

Teletalk HSC Admission Process

teletalk hsc admission process

Bkash HSC Admission Process

Grameen Phone HSC Admission Process

Sure Cash HSC Admission Process

একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

  • আবেদন ফিঃ

    গতবারের মতো এবারও অনলাইনে আবেদনের জন্য ১৫০ টাকা এবং এসএমএসের মাধ্যমে আবেদনের জন্য ১২০ টাকা ফি দিতে হবে। তবে এসএমএসে আবেদনের জন্য প্রতি কলেজের জন্য ১২০ টাকা ফি নির্ধারণ করা হয়েছে।একজন আবেদনকারী একাধিক প্রতিষ্ঠান/ একই প্রতিষ্ঠান এর একাধিক গ্রুপে/ একই প্রতিষ্ঠানে একাধিক শিফটে আলাদা ভাবে আবেদন করতে পারবে, তবে এক্ষেত্রে প্রতিবারই ফি বাবদ ১২০/- টাকা কেটে নেওয়া হবে।

    অনলাইনে সর্বোচ্চ ১০ টি কলেজে আবেদনের জন্য ১৫০/- টাকা আবেদন ফি প্রদান করতে হবে। উল্লেখ্য, অনলাইনে আবেদনের ক্ষেত্রে ১ টি কলেজে আবেদন করলেও ১৫০/- টাকা চার্জ করবে আবার ১০টি করলেও ১৫০/- চার্জ করবে। অর্থাৎ এসএমএস এ আবেদন পদ্ধতির মত কলেজ প্রতি আলাদা চার্জ করা হবে না।

  • ১ম পর্যায়ে আবেদনের সময়সীমাঃ আবেদন প্রক্রিয়া ১২ মে থেকে শুরু হয়ে ২৩ মে (যারা পুনঃনিরীক্ষণের জন্য আবেদন করবে তাদের ও এই সময়ের মধ্যে আবেদন করতে হবে) পর্যন্ত।
  • আবেদন যাচাই বাছাই ও আপত্তি নিষ্পত্তির সময়সীমাঃ ২৪ থেকে ২৬ জুন পর্যন্ত।
  • শুধুমাত্র পুনঃনিরীক্ষণের পর ফলাফল পরিবর্তিতদের ক্ষেত্রে আবেদনের সময়সীমাঃ ০৩ থেকে ০৪ জুন পর্যন্ত চলবে।
  • ১ম মেধা তালিকার ফলাফল প্রকাশঃ ভর্তির জন্য মনোনীত শিক্ষার্থীদের ১ম মেধাক্রম ১০ জুন এসএমএস এবং স্ব স্ব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নোটিশ বোর্ডে প্রকাশ করা হবে।
  • শিক্ষার্থীর Selection নিশ্চায়ন (শিক্ষার্থী নিশ্চিত না করলে ১ম পর্যায়ের Selection এবং আবেদন বাতিল হবে): ১১ থেকে ১৮ জুন পর্যন্ত
  • ২য় পর্যায়ের আবেদনের সময়সীমাঃ ১৯ থেকে ২০ জুন পর্যন্ত
  • পছন্দক্রম অনুযায়ী ১ম মাইগ্রেশনের ফল প্রকাশঃ ২১ জুন
  • ২য় পর্যায়ের শিক্ষার্থীর Selection নিশ্চায়ন (শিক্ষার্থী নিশ্চিত না করলে ২য় পর্যায়ের Selection এবং আবেদন বাতিল হবে): ২২ থেকে ২৩ জুন পর্যন্ত।
  • ৩য় পর্যায়ের আবেদনের সময়সীমাঃ ২৪ জুন
  • পছন্দক্রম অনুযায়ী ২য় মাইগ্রেশনের ফল প্রকাশঃ ২৫ জুন
  • ৩য় পর্যায়ের আবেদনের ফল প্রকাশঃ ২৫ জুন
  • ৩য় পর্যায়ের শিক্ষার্থীর Selection নিশ্চায়ন (শিক্ষার্থী নিশ্চিত না করলে ৩য় পর্যায়ের Selection এবং আবেদন বাতিল হবে): ২৬ জুন পর্যন্ত
  • ভর্তির সময়সীমাঃ ২৭ জুন থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত
  • ক্লাশ শুরুর তারিখঃ ০১ জুলাই ২০১৯
  • কলেজ কর্তৃক (Confirmation) নিশ্চিতকরণঃ মনোনীতদের তালিকা প্রকাশের পর শিক্ষার্থী ১৮৫ টাকা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে পাঠিয়ে দিয়ে নিবন্ধন করবেন, আগে কলেজ বোর্ডকে এ টাকা দিলেও এখন শিক্ষার্থীরা নিজেরাই বোর্ডকে টাকা জমা দেবে।

Add a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *