ডিমের হালিতে হাফ সেঞ্চুরি, চোখ রাঙাচ্ছে পেঁয়াজ

রংপুরে সপ্তাহের ব্যবধানে বেড়েছে পোলট্রি মুরগির ডিমের দাম। চোখ রাঙাচ্ছে পেঁয়াজ। তবে কমেছে কিছু সবজির দাম। এছাড়া তেল, চাল, ডাল ও মাছ-মাংসের দাম অপরিবর্তীত আছে।

মঙ্গলবার (৮ আগস্ট) রংপুর নগরীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, পোলট্রি মুরগির ডিমের হালি বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা দরে। যা গত সপ্তাহে ছিল ৪৬-৪৮ টাকা। এছাড়া দেশি পেঁয়াজ ৬৫ টাকা থেকে বেড়ে ৮০ টাকা এবং ভারতীয় পেঁয়াজ ৪৫-৫০ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ৬০ টাকা।

কাঁচা মরিচের কেজি ১৫০-১৬০ টাকা থেকে বেড়ে ১৭০-২০০ টাকা, দেশি আদা ৪০০ টাকা ও ভারতীয় আদা ২৪০-২৮০ টাকা হয়েছে।

টমেটোর দাম বেড়ে ২৮০-৩০০ টাকা, প্রতিপিস চালকুমড়া ৩৫-৪০ টাকা, চিকন বেগুন ৩৫-৪০ টাকা থেকে কমে ২০ টাকা, গোল বেগুন ৫৫-৬০ টাকা থেকে কমে ৫০ টাকা, পেঁপে ৩৫-৪০ টাকা থেকে কমে ৩০ টাকা, করলার ৬০-৮০ টাকা, বরবটি ৪০-৫০ টাকা, লেবু প্রতিহালি ১০-১২ টাকা, শুকনো মরিচ ৫৫০-৬০০ টাকা, প্রতিপিস লাউ ৩৫-৪০ টাকা, ধনেপাতা ১৭০-২০০ টাকা, কাঁচকলা প্রতিহালি ৩০-৩৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

প্রতিকেজি মিষ্টিকুমড়া আগের মতোই ৩৫-৪০ টাকা, ঝিঙে ৫০-৬০ টাকা, দুধকুষির দাম কমে ৩০ টাকা, সজনে ডাঁটা ১৩০-১৫০ টাকা, পটল ৩০ টাকা, ঢ়্যাঁড়স ৩৫-৪০ টাকা, কাকরোল ৩৫-৪০ টাকা, কচুরলতি ৬০-৭০ টাকা, কচুরবই ৫৫-৬০ টাকা থেকে কমে ৪৫-৫০ টাকা, দেশি রসুন ২৪০-২৭০ টাকা ও ভারতীয় রসুন ২৬০-২৮০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। বাজারে সবধরনের শাকের আাঁটি ১০-১৫ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে।

খুচরা বাজারে কার্ডিনাল আলু ৩৫-৩৬ টাকা, সাদা দেশি আলু ৫৫ টাকা এবং শিল ও ঝাউ আলু ৫৫-৬০ টাকা টাকা বিক্রি হচ্ছে।

মুলাটোল আমতলা বাজারের সবজি বিক্রেতা আব্দুল আজিজ বলেন, আমদানির ওপর নির্ভর করে দাম কমবেশি হয়। পেঁয়াজের আদমানি কমে গেছে। এ কারণে বাজার ঊর্ধ্বমুখী।

খুচরা বাজারে ব্রয়লার মুরগির কেজি ১৭০-১৮০ টাকা, পাকিস্তানি মুরগি আগের মতোই ২৮০-২৯০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৪৫০-৪৬০ টাকা। বাজারে গরুর মাংসের দাম গত সপ্তাহের মতোই ৭০০-৭২০ টাকা এবং ছাগলের মাংস ৮০০-৯০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

সিটি বাজারের মুরগি বিক্রেতা আলী হোসেন বলেন, মুরগির বাজার সিন্ডিকেটের দখলে। গত কয়েকদিন ব্রয়লার মুরগি ২০০ টাকা কেজি বিক্রি হয়েছে। দাম বাড়ার কারণে বিক্রি কমে গেছে। খামারিরা লোকসানের আশঙ্কায় ফের দাম কমিয়ে দিয়েছেন।

বাজার ঘুরে দেখা যায়, খুচরা বাজারে এক লিটার বোতলজাত সয়াবিন ১৭৯ টাকা এবং দুই লিটার ৩৬৫-৩৭০ টাকা এবং খোলা সয়াবিন তেল ১৬০-২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

চালের বাজারে খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, খুচরা বাজারে স্বর্ণা (মোটা) চাল গত সপ্তাহের মতোই ৫২-৫৫ টাকা, পাইজাম ৫০-৫৫ টাকা, বিআর২৮ ৬০-৬৫ টাকা, মিনিকেটের দাম কমে ৬৮-৭০ টাকা ও নাজিরশাইল ৮৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজার ঘুরে দেখা যায়, খুচরা বাজারে খোলা চিনি গত সপ্তাহের দরেই ১৪০ টাকা, প্যাকেট আটা ৬৫ টাকা ও খোলা আটা ৫৫ টাকা, ছোলাবুট ৯০-১০০ টাকা এবং প্যাকেট ময়দা ৭৫-৭৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে আগের মতোই মসুর ডাল (মাঝারি) ১১০-১২০ টাকা, চিকন ১৩০-১৪০ টাকা, মুগডাল ১৪০ টাকা এবং বুটডাল ৯০ টাকা কেজি।

এদিকে মাছের বাজার ঘুরে দেখা যায়, আকারভেদে রুইমাছ ২৫০-৩০০ টাকা, মৃগেল ২২০-২৫০ টাকা, কারপু ২০০-২২০ টাকা, পাঙাস ১৫০-১৬০ টাকা, তেলাপিয়া ১৪০-১৬০, কাতল ৪০০-৪৫০ টাকা, বাটা ১৬০-১৮০ টাকা, শিং ৩০০-৪০০ টাকা, সিলভার কার্প ১৫০-২৫০ টাকা এবং গছিমাছ ৬০০-৬৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *