close(x)
 

মাউশির বিজ্ঞপ্তিকে ‘আন্দোলন বন্ধের কৌশল’ বলছেন শিক্ষকরা

গ্রীষ্মকালীন ছুটি বাতিলের পর গতকাল রবিবার থেকে সারা দেশে মাধ্যমিক স্তরের শ্রেণি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সেদিন বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকা শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে তালিকা তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।

গ্রীষ্মকালীন ছুটি বাতিলের পর গতকাল রবিবার থেকে সারা দেশে মাধ্যমিক স্তরের শ্রেণি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সেদিন বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকা শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে তালিকা তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। এই উদ্যোগকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের আন্দোলনকে স্থগিত করার নতুন কৌশল হিসেবে দেখছেন আন্দোলনকারী শিক্ষকরা।

আজ সোমবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির (বিটিএ) আয়োজনে ১৪তম দিনের লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন সারা দেশ থেকে আসা মাধ্যমিক স্তরের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা।

বিটিএ সাধারণ সম্পাদক শেখ কাওছার আহমেদ বলেন, ‘মাউশির মহাপরিচালক জাতীয়করণ ইস্যুতে আমাদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। অপরদিকে আন্দোলনরত শিক্ষকদের তালিকা তৈরির চেষ্টা করছেন। সারা দেশের আঞ্চলিক অফিসগুলোর মাধ্যমে এভাবে তালিকা তৈরি না করে, আন্দোলনে উপস্থিত শিক্ষকদের তালিকা চাইলে আমরা তা দিতে পারি।’

এসব অপকৌশলের মাধ্যমে আন্দোলনকে দমিয়ে রাখা যাবে না মন্তব্য করে কাউসার আহমেদ বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু আমাদেরকে শিখিয়েছেন কিভাবে আন্দোলনের মাধ্যমে বিজয় ছিনিয়ে আনতে হয়।

আমরা সেই বঙ্গবন্ধুর আদর্শ সৈনিক। প্রধানমন্ত্রী সঙ্গে সাক্ষাৎ না করে অথবা জাতীয়করণের ঘোষণা ছাড়া আমরা রাজপথ ছাড়ব না।’
এর আগে রবিবার মাউশির নির্দেশে আঞ্চলিক অফিসগুলো থেকে অনুপস্থিত শিক্ষকদের তালিকা সংগ্রহে বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আওতাধীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের যে সকল প্রধান শিক্ষক, সহকারী প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষক ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে না জানিয়ে গত রবিবার অনুমোদন ছাড়া অনুপস্থিত রয়েছেন তাদের নামের তালিকা সোমবার (আজ) বেলা ১১টার মধ্যে পাঠানোর অনুরোধ করা হলো।

অনুমোদন ছাড়া অনুপস্থিত থাকলে প্রতিদিন এই তালিকা পাঠানোর অনুরোধ জানিয়েছে মাউশির আঞ্চলিক অফিস।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *