close(x)
 

বিএনপি অফিসের সামনের সড়ক ছাড়তে ১০ মিনিট সময় দিল পুলিশ, ৫ মিনিটেই রাস্তা ফাঁকা

নয়াপল্টনে বিএনপির কার্যালয়ের সামনে জড়ো হচ্ছিলেন নেতা–কর্মীরা। বেলা সোয়া ১১টার দিকে তোলা। এরপরই অবশ্য রাস্তা ফাঁকা হয়ে যায়

এক দিন পিছিয়ে আগামীকাল শুক্রবার রাজধানীর নয়াপল্টনে মহাসমাবেশের ডাক দিয়েছে বিএনপি। এর এক দিন আগেই আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সড়কে জড়ো হয়ে স্লোগান দেওয়া শুরু করেছিলেন দলটির নেতা–কর্মীরা। সড়কে দাঁড়িয়ে স্লোগান দেওয়ায় সড়ক সংকুচিত হয়ে যায়। এক সারিতে যানবাহন চলাচল করে। এ অবস্থায় বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পুলিশ নির্দেশ দেয়, সড়ক ছেড়ে দিতে হবে ১০ মিনিটের মধ্যে। দেখা গেল ৫ মিনিটের মধ্যেই সড়ক ফাঁকা হয়ে গেছে।

বিএনপি এই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে গতকাল বুধবার বিকেল থেকেই কার্যালয়ের সামনে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছিল। আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে সরেজমিনে দেখা যায়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সদস্যরা নয়াপল্টন কার্যালয়ের পশ্চিম পাশে ফুটপাতের অবস্থান নিয়েছেন। ‌পুলিশ সদস্যদের পাশেই প্রিজন ভ্যানসহ সাঁজোয়া যান রাখা আছে।‌ তবে এ সময়ও বিএনপির নেতা–কর্মীরা স্লোগান দিতে থাকেন। বিএনপির নেতা–কর্মীরা সড়কে দাঁড়িয়ে স্লোগান দেওয়ার কারণে এ সড়ক সংকুচিত হয়ে এক সারিতে যানবাহন চলাচল করছিল। চট্টগ্রামের বাঁশখালী এলাকা থেকে আসা নেতা–কর্মীরা একটি ব্যানার নিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন। তাঁদের সঙ্গে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা নেতা–কর্মীরা স্লোগানে যোগ দেন।

এ অবস্থায় সেখানে পুলিশের কয়েকজন কর্মকর্তা বিএনপির নেতা–কর্মীদের সামনে গিয়ে ১০ মিনিটের মধ্যে সড়ক ছেড়ে দিতে বলেন। দেখা যায়, এই নির্দেশ দেওয়ার পাঁচ মিনিটের মধ্যেই সড়ক ফঁকা হয়ে যায়।

পুলিশের এই নির্দেশনার বিষয়ে এক কর্মকর্তাকে প্রশ্ন করা হলে তিনি কোনো জবাব না দিয়ে হেসে চলে যান। বিএনপির নেতা–কর্মীরা রাস্তা থেকে সরে যাওয়ায় নয়াপল্টনে বিএনপির কার্যালয়ের সামনের সড়ক এখন অনেকটাই পুলিশের নিয়ন্ত্রণে।

১১টা ৪৫ মিনিটে নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আসেন দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি এসে কার্যালয়ের সামনে ফুটপাতে অবস্থানরত নেতা–কর্মীদের সরিয়ে দিয়ে বলেন, ‘আপনারা আজ চলে যান। আজ আমাদের কোনো সমাবেশ নেই। আগামীকাল সমাবেশ। বিভিন্ন জেলা থেকে কষ্ট করে এসেছেন, এ জন্য ধন্যবাদ। আগামীকাল আপনারা চলে আসবেন।’

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *